দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত ২০২৪

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী হচ্ছে দুবাই। এই দুবাই বড় বড় নির্মাণ প্রকল্প, প্রচুর হোটেল এবং বড় বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মনে করা হয় ১৮শ শতাব্দীর দিকে দুবাই একটি মাছ ধরার গ্রাম হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে সব থেকে উন্নত এবং জনবহুল একটি শহর। বলতে গেলে মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়ীক কেন্দ্র হচ্ছে এই দুবাই। পুরো বিশ্বের বহুসংখ্যক মানুষ উন্নত জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে বর্তমানে এই দুবাইয়ে পৌঁছে থাকে।

বাংলাদেশ থেকেও অনেক মানুষ বর্তমানে দুবাইয়ে বসবাস করছেন। এবং অনেকে দুবাই যাওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া অবলম্বন করছেন। বিশেষ করে দুবাই পৌঁছাতে হলে অবশ্যই আপনাকে বিমানের জন্য ভিসা তৈরি করে নিতে হবে। তবে সকল খরচ বিবেচনা করলে দুবাই যেতে কত টাকা খরচ হয় এবং কি কি লাগে। অতএব দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত তা বিস্তারিত আমাদের এই পোস্টটি উল্লেখ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পড়লে বিস্তারিত তথ্য খুব সহজেই জানতে পারবেন।

দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত

এই দুবাইয়ের দক্ষিণে আবুধাবি অবস্থিত। এছাড়াও এই শহরের আশেপাশের বিভিন্ন উন্নত শহর রয়েছে। উল্লেখিত এই দুবাইয়ের মোট আয়তন ১,৫৮৮ বর্গ কিলোমিটার। যারা বর্তমানে দুবাই যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। যদি কেউ দুবাই যেতে চায় তাহলে বিভিন্ন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য সব থেকে বেশি প্রয়োজন হয়।

এছাড়াও আপনার ভিসা অনুযায়ী কাগজপত্রের ভিন্ন পার্থক্য হতে পারে।  এবং টাকার পরিমান কম অথবা বেশি হতে পারে। তবে যদি কেউ দুবাই যেতে চায় তাহলে তার সর্বনিম্ন খরচ হবে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে তিন লক্ষ টাকা। আর সর্বোচ্চ খরচ হতে পারে ৬ লাখ টাকা থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আর যদি দালালদের মাধ্যমে দুবাই পৌঁছাতে চান। তাহলে দুবাই যেতে কত টাকা লাগবে তা বলা খুবই মুশকিল।

বাংলাদেশ থেকে দুবাই যেতে কত টাকা লাগে

এই বাংলাদেশে বহু প্রতারক দালাল চক্র রয়েছেন যারা ন্যায্য মূল্যের থেকে ভিসা তৈরি করতে অনেক বেশি টাকা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে নিয়ে থাকে। অনেক দালাল রয়েছে যারা সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকার পরিবর্তে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকে। যেখানে ভিসার মূল্য ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা।

যেহেতু দুবায়ের জন্য বিভিন্ন ভিসা পাওয়া যায়, তাই ভিসা অনুযায়ী কত টাকা লাগবে তা নির্ধারিত করা হয়। যদি দুবাইয়ে কাজের ভিসার জন্য যেতে চান তাহলে আপনার দুবাই যেতে সর্বনিম্ন ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আর যদি সরকারিভাবে ভিজিট ভিসা পেয়েছেন তাহলে ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা হলেই হবে।

নতুবা দালালদের বা কোন এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দুবাই পৌঁছাতে হলে সর্বনিম্ন ২ লাখ ৫০হাজার টাকা থেকে প্রায় ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা। তবে জেনে রাখুন আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে দুবাই যেতে চান তাহলে অবশ্যই ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বাজেট রাখতে হবে।

দুবাই যেতে কি কি লাগে

অবশ্যই দুবাই যেতে আপনার ব্যক্তিগত সকল তথ্য দিতে হবে। আর অবশ্যই দুবার যাওয়ার পূর্বে পাসপোর্ট দ্বারা ভিসা তৈরি করে নিতে হবে। তাই সকল ভিসা তৈরি করতে বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্যের প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাহলে চলুন দুবাই যেতে কি কি লাগে তা জন্য নেওয়া যাক।

  • আপনার এক কপি ছবি লাগবে এবং এর সাইজ হবে সাইজঃ ৬x৬ সেমি, ব্যাকগ্রাউন্ডঃ সাদা এবং চেহারার ৮০% দৃশ্যমান হতে হবে।
  • এবং আপনার পুরনকৃত অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম। যে ফর্ম আপনাকে এজেন্সিতে জমা দিতে হবে।
  • এবং সর্বনিম্ন ৬ মাসের মেয়াদ সম্পর্কে একটি পাসপোর্ট লাগবে।
  • এক কপি পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি প্রয়োজন হবে।
  • যে বিমানে পৌঁছে যাবেন আপনার নির্দিষ্ট গন্তব্যে, সেই বিমানের টিকিটের কপি প্রদান করতে হবে।
  • যদি বিবাহের সনদপত্র বা জন্ম সনদপত্র থাকে অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র থাকে। তাহলে তার কপিগুলো সেখানে দিতে হবে। 

দুবাইয়ের ভিসা খরচ কত

বাংলাদেশের দুবাই এজেন্সির মাধ্যমে যদি দুবাই পৌঁছাতে চান তাহলে নির্ধারিত ফি হচ্ছে ১ লক্ষ টাকা। তবে আরো কিছু খরচ দিয়ে এর থেকেও বেশি হতে পারে। তবে কোন এজেন্সি দ্বারা দুবাই পৌঁছাতে গেলে সর্বনিম্ন ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। এবং ভালো কোন বিষয় যদি দুবাই পৌঁছাতে চান তাহলে প্রত্যেকটি ভিসায় খরচ হবে সর্বনিম্ন ৫ থেকে ৭-৮ লক্ষ টাকা।

যেহেতু এসব দেশে যাওয়ার জন্য বেশিরভাগ মানুষ দালালদের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন। তাই তারা তাদের কাছ থেকেও প্রায় ক্ষেত্রেই প্রতারিত হয়ে থাকে। যেমন যেখানে দুবাইয়ের ভিসা তৈরি করতে খরচ হয় মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে তিন লক্ষ টাকায়। সেখানে অন্যান্য ভিসার তৈরি করতে প্রায় পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টাকা নিয়ে থাকে বিভিন্ন দালাল চক্র।

দুবাই ভিসার দাম কত ২০২৪

একজন ব্যক্তির সাধারণত ভিসা তৈরি করতে ২০ থেকে ৪০ হাজার পা পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। তবে বাইরে কিছু কাজ বা টুকিটাকি কাজ দিয়ে এবং বিমান ভাড়া দিয়ে প্রায় একটি ভিসার দাম পড়ে যায় প্রায় ১লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা। তবে জেনে রাখুন পূর্বের থেকে বর্তমানে এই সব ভিসার দাম অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে কিছু কিছু সময় বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এই ভিসা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে যদি কোম্পানি ভিসার তৈরি করতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার দুই ভাই ভিসার দাম হতে পারে প্রায় ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। আর যদি কোন কাজের ভিসার জন্য যান তাহলে এভারেজ একটি অ্যামাউন্ট হবে আপনার ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা।

দুবাই যেতে ভিসা তৈরীর ক্ষেত্রে কি কি লাগে

একটি দেশের ভিসা তৈরি করতে পাসপোর্ট নাম্বার সহ নিজের ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য প্রদান করতে হয়।  তবে বেশিরভাগ এই ভিসা তৈরির ক্ষেত্রে এলাকার বা আশেপাশের বিভিন্ন দালালদের আমরা ব্যবহার করে থাকি। তবে অনলাইনে মাধ্যমে ভিসা তৈরি করা যায়। ভিসা তৈরির ক্ষেত্রে কি কি কাগজপত্র লাগে তা নিচের তালিকা গুলো থেকে জেনে নিন। পরবর্তীতে হয়তো আপনার অনেকটা উপকারে আসতে পারে।

  • সর্বপ্রথম আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের একটি ফটোকপি লাগবে।
  • যদি কোন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকে তাহলে অবশ্যই তার জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র লাগবে।
  • যেহেতু দুবাই যেতে চাচ্ছেন, সেহেতু আর দুবাইয়ের ভিজিট করার জন্য আবেদনকৃত ফরম পূরণ সহ ফরম লাগবে।
  • নির্দিষ্ট সাইজের আপনার তোলা রঙিন ছবি লাগবে।
  • সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ আপনার বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। এবং আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ সর্বনিম্ন ৬ মাস থাকতে হবে।
  • যদি কোন সময় এ যাত্রার পূর্বে দুবাই ভ্রমণ করে থাকেন। তাহলে তার প্রমাণপত্র আপনার লাগবে।
  • এবং আপনার বিমানের টিকিটের কপি লাগবে। 

দুবাই টুরিস্ট ভিসা যেতে কত টাকা লাগে

টুরিস্ট ভিসার মেয়াদকাল ৩০ থেকে ৯০দিন পর্যন্ত হয়ে থাকে। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট সময় এ পর্যন্ত আপনি দুবাইয়ের ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন। যদি টুরিস্ট ভিসায় যেতে চান তাহলে আপনাকে টুরিস্ট ভিসা সংগ্রহ করতে হবে এবং টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। সর্বোপরি আপনাকে একটি বিমান ভাড়া করতে হবে। তবে এসব ভিসার তৈরি করতে বেশি কিছু টাকার প্রয়োজন হয় না।

দুবাই টুরিস্ট ভিসার দাম কত

টুরিস্ট ভিসা যেতে হলে সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ৯০ দিনের এর মেয়াদে ভিসা তৈরি করতে হবে। যদি টুরিস্ট ভিসা যেতে চান তাহলে আপনার সর্বোচ্চ ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আমি কিছু ক্ষেত্রে দুবাই টুরিস্ট ভিসা দাম ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা অথবা ৩ লক্ষ টাকা হতে পারে।

দুবাই ভিজিট ভিসা খরচ কত

যদি অনলাইনে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিমান এজেন্সি অথবা ভিসা তৈরি করে থাকেন তাদের সাথে যোগাযোগ করতে চান তাহলে তাদের যোগাযোগ নাম্বার লিখলে তথ্য পেয়ে যাবেন। অর্থাৎ সরকারিভাবে দুবাই ভিজিট ভিসা খরচ অনেক কম।

সরকারিভাবে ভিজিট ভিসা খরচ ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা হতে পারে। বা তারও বেশি হতে পারে। তবে কোন এজেন্সির মাধ্যমে যদি বিজেপি ভিসা করতে চান তাহলে সর্বনিম্ন ২ লক্ষ টাকা। আর সর্বোচ্চ ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা লাগতে পারে ‍দুবাই ভিজিট ভিসা তৈরি করতে।

দুবাই ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হলে জরিমানা কত?

টুরিস্ট ভিসায় আপনি সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন। অর্থাৎ এর পরে আপনাকে বাংলাদেশের ফেরত আসতে হবে। যদি আপনি ভিজিট ভিসা  ব্যবহার করে দুই ভাই অনেকদিন পর্যন্ত থাকতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে এর মেয়াদ সম্পর্কে লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি দুবাইয়ে কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে অবস্থান করে থাকেন তাহলে তাকে ৩০০ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে।

দুবাই হোটেল ভিসা খরচ কত

এক্ষেত্রেও দুবাই হোটেল ভিসার ক্ষেত্রে একটু বেশি খরচ হতে পারে। সরকারি ভাবে এসব বিষাদ খুব কম পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশের বিভিন্ন এজেন্সি রয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে এ সকল হোটেল ভিসা খুব সহজে পাওয়া যায়। তবে বেসরকারি এজেন্স গুলো এই সকল ভিসার জন্য অনেকটা আদায় করে থাকে। হোটেল ভিসার খরচ সর্বনিম্ন ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা হতে পারে। যেহেতু বিমান ভাড়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। সেহেতু এর খরচ এর থেকে বেশি অথবা রকম হতে পারে।

দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা খরচ

বহু ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে বাংলাদেশের যারা পড়ালেখার উদ্দেশ্যে দুই ভাই পৌঁছে থাকেন। তবে তাদের জন্য সরকারি ভাবে বিশেষ রয়েছে এই দুবাই যাওয়ার জন্য। প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরকারিভাবে দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।

তবে খুব কম সংখ্যক মানুষ এই আবেদনে সাফল্য পেয়ে থাকে। যদি স্টুডেন্ট ভিসা সরকারিভাবে পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার অনেক টাকা খরচ কম হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপনাকে শুধুমাত্র বিমানের ভাড়া প্রদান করতে হতে পারে। এছাড়াও স্টুডেন্ট ভিসার খরচ সর্বনিম্ন ২ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

দুবাই কাজের ভিসার খরচ কত

যদি সরকার ভাবে কাজের ভিসা যেতে চান তাহলে আপনার এক্ষেত্রে ভিসার খরচ হতে পারে এক দুই লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। হঠাৎ সরকারিভাবে দুবাই কাজের ভিসায় যেতে চাইলে অনেক কম টাকায় ভিসা তৈরি করতে পারবেন এবং দুবাই পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়া উল্লেখিত বাংলাদেশে বহু বেসরকারি এজেন্সি রয়েছে।

তাই আপনি যদি বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে দুবাইয়ের কাজের ভিসা তৈরি করতে চান অথবা দুবাই পৌঁছাতে চান। তাহলে এক্ষেত্রে আপনার সর্বমোট খরচ সর্বনিম্ন ৩ লক্ষ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। যেহেতু আবার বিমান মূল্যের রেট প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। তাই এর থেকেও বেশি অথবা কম হতে পারে দুবাই কাজের ভিসার ক্ষেত্রে।

দুবাই কাজের ভিসায় যেতে কি কি লাগে

ঠিক একই ভাবে পড়ানো ভিসার মত কাজের ভিসায় যেতে বিভিন্ন কাগজপত্র লাগবে। এর মধ্যে অবশ্যই উল্লেখিত আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র লাগবে। অর্থাৎ ভিসা তৈরি করতে সব কাগজপত্র লাগে তা নিচে উল্লেখ করা হলো। আর ভিসা তৈরির জন্য পাসপোর্ট নাম্বার প্রয়োজন হয়।

অর্থাৎ আপনার কাছে বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। এবং যেহেতু কাজের ভিসায় দুবাই যেতে চাচ্ছেন, সেহেতু দুবাইয়ের কাজের ভিসার জন্য আবেদন ফরম লাগবে। এবং আপনার রঙিন ছবি লাগবে। এর পূর্বে যদি কোনদিন দুবাই গিয়ে থাকে তাহলে তার প্রমাণস্বরূপ তার কাগজপত্র লাগবে।

শেষ কথা

আশা করতেছি আপনারা বিভিন্ন তথ্য আমাদের এই পোস্ট থেকে জানতে পেরেছেন। বিশেষ করে আজকের আলোচনায় দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত তা সম্পূর্ণ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ইতিমধ্যে হয়তো আপনারা দুবাই যেতে কত টাকা লাগে এবং কি কি কাগজপত্র লাগে তার জেনে নিয়েছেন। যদি পোস্ট থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার আশেপাশের ব্যক্তিদেরকে শেয়ার করে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top