ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ২০২৪

প্রায় সকলেই মনে করে থাকেন দালাল ছাড়া পাসপোর্ট হয় না, এটি একটি ভুল ধারণা। আপনি নিজে নিজেই কোন রকম দালাল ছাড়া অনলাইনে এই পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন। এবং সাধারণ পাসপোর্ট, জরুরী পাসপোর্ট, এবং অতি জরুরী পাসপোর্ট এর জন্য আপনি নিজে নিজেই আবেদন করতে পারবেন। এজন্য শুধু আপনার কাছে একটি স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ কম্পিউটার হলেই চলবে।

তবে বাংলাদেশের শতকরা 90% মানুষ এই পাসপোর্ট তৈরি করতে বিভিন্ন কম্পিউটার অপারেটর বা দালালের মাধ্যমে করে থাকেন। অর্থাৎ এই কাজ নিজে নিজে কেউ ই করতে চায় না ধরতে গেলে। অথচ অনলাইনে এসে নিজ প্রয়োজনে যে কেউ খুব সহজে ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করতে পারবে। আপনারা চাইলেও আমাদের এই পোস্ট থেকে নিজে নিজে পাসপোর্ট এর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন

অনলাইনে আবেদন করতে হলে আপনাকে বাংলাদেশের এই Bangladesh e-Passport Application Portal ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এখানে প্রবেশ করার পর Apply Online” নামের একটি অপশন দেখতে পারবেন। সেখানে প্রবেশ করে আপনাকে বিভিন্ন তথ্য ও প্রদান করতে হবে।

অর্থাৎ এই প্রক্রিয়া হচ্ছে অনলাইনে আবেদন করার প্রথম ধাপ। কিন্তু বিস্তারিত দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে একদম নিচে। আপনার কাছে একটি স্মার্ট ফোন হলেই নিচের ধাপগুলো আপনি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করতে পারবেন। তবে সবার পূর্বে আপনাকে একটি ইমেইল দিয়ে এখানে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। অতএব সঠিকভাবে অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য নিচের ধাপগুলো শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করুন।

ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

আপনি যদি ইস পাসপোর্ট করতে চান তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে বেশি কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে না। তো অল্প কিছু ডকুমেন্ট হলেই আপনি ই পাসপোর্টর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। তাহলে নিচের দেওয়া তালিকা গুলো থেকে দেখে নিন কি কি কাগজপত্র লাগে।

  • আবেদন সামারী
  • জাতীয় পরিচয়পত্র/ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • আবেদনের কপি
  • পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকপি ও অরিজিনাল পাসপোর্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • ঠিকানার প্রমাণপত্র
  • ইউটিলিটি বিলের কপি (গ্যাস/বিদ্যুৎ)
  • পিতা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি (শিশুদের ক্ষেত্রে আবশ্যিক)
  • নাগরিক সনদ/ চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • পেশাগত সনদের ফটোকপি বা চাকুরীর আইডি কার্ড (পেশাজীবির ক্ষেত্রে- যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, আইনজীবি)

ই পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে

যেহেতু পাসপোর্ট করতে চাচ্ছেন সেহেতু পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে তার জেনে রাখা উচিত। অতঃপর জাতীয় তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছরের জন্য সর্বনিম্ন পাসপোর্ট এর মূল্য ৪ হাজার ২৫ টাকা। এবং ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছরের জন্য অতি জরুরি পাসপোর্ট এর মূল্য  ৮৬২৫ টাকা। এবং ৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছরের  সাধারণ পাসপোর্ট এর মূল্য ৫৭৫০ টাকা।

জরুরী পাসপোর্ট এর মূল্য ৮০৫০ টাকা। এবং  ৪৮ পৃষ্ঠার দশ বছরের অতি জরুরী পাসপোর্ট এর মূল্য ১০৩৫০ টাকা। অতএব ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছরের সাধারণ পাসপোর্ট এর মূল্য ৬৩২৫ টাকা এবং অতি জরুরী পাসপোর্ট এর মূল্য ১২০৭৫ টাকা। আর ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছরের সাধারণ পাসপোর্ট এর মূল্য ৮০৫০ টাকা। এবং ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছরের অতি জরুরি পাসপোর্ট এর মূল্য ১৩৮০০ টাকা।

ই পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম 

নিচে খুব সহজ ভাবে ই পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম গুলো উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করা যায় যে কোন ব্যক্তি এই কাজ ধাপে ধাপে অনুসরণ করলে এখান থেকেই পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে। তাই নিচের দেওয়া সবগুলো ধাপ অনুসরণ করুন।

ভিজিট করুন e-Passport Portal ওয়েবসাইট

ই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে এই লিংকে https://www.epassport.gov.bd/landing অর্থাৎ এই তাই সাইটে প্রবেশ করতে হবে। আপনি যখন এই সাইটে প্রবেশ করবেন ঠিক নিচের দাও ছবিটির মতো ডিসপ্লে আপনার সামনে প্রদর্শন হবে। সেখানে লাল চিহ্ন আকারে একটি বক্সে লেখা দেখুন APPLY ONLINE । অতএব আপনি সেখানে ক্লিক করুন।

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও থানা নির্বাচন

উপরে ধাপে এপ্লাই অনলাইনে ক্লিক করার পর আপনি নিচে এরকম কয়েকটি অপশন দেখতে পারবেন। যেখানে লেখা রয়েছে Yes অথবা No. তারপর একটি বক্স দেখতে পাবেন যেখানে আপনাকে আপনার জেলা তারপর সে জেলা অনুযায়ী আপনার উপজেলা নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন করার পর নিচে কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করতে হবে। অতএব পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করুন।

এরপর আপনাকে বিভিন্ন তথ্য ও পূরণ করতে হবে ধাপে ধাপে। আশা করা যায় পরের ধাপগুলো আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন। সর্বশেষ আপনার পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন হয়ে গেলে এরপরে আপনাকে পুলিশ স্টেশনের নাম এবং থানার নাম নির্বাচন করে দিতে হবে।

ইমেইল ভেরিফিকেশন

এ ধাপটি আপনাদের জন্য অত্যন্ত সহজ। এখানে নিচের দল বক্সে শুধু আপনাকে আপনার ইমেইল বসাতে হবে। এবং ইমেইল বসানোর পর নিচে দেওয়া তীর চিহ্ন অংশে ক্লিক করতে হবে। আই এম হিউম্যান ওখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর নিচে দেখুন কন্টিনিউ বাটন রয়েছে অতএব সেখানে ক্লিক করুন। এবং পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করুন।

ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি

ওয়েবসাইটের স্টেপ৩ এ আপনাকে অনেক কিছু ইনফরমেশন উল্লেখ করতে হবে। এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখিত ইনফরমেশন গুলো হচ্ছে। আপনার ইমেইলের পাসওয়ার্ড, নাম, আপনার ফোন নাম্বার, আরো ইত্যাদি ব্যক্তিগত তথ্য। এই তথ্যগুলো দিয়ে আপনাকে আপনার পাসপোর্ট এর ওয়েবসাইট অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হবে। তারপর নিচের ধাপটি অনুসরণ করুন।

পাসপোর্ট এর ধরন বাছাই

এরপর আপনি দুই ধরনের পাসপোর্ট দেখতে পারবেন। একটি হচ্ছে অর্ডিনারি টাইপ পাসপোর্ট, অলরেডি হচ্ছে অফিসিয়াল টাইপ পাসপোর্ট। আপনি যদি শালার নাগরিক হিসেবে অনলাইনে আবেদন করতে চান তাহলে আপনাকে অর্ডিনারি টাইপ পাসপোর্ট নির্বাচন করতে হবে। তো নির্বাচন করার পর পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করুন।

ই পাসপোর্ট ফরমে ব্যক্তিগত তথ্য ইনপুট

এই ধাপে আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। যেমন আপনার নিজের নাম দিতে হবে আপনার লিঙ্গ পেশা ,ধর্ম এবং দেশের নাম সহ আপনার জেলার নাম ইত্যাদি দিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য সহ একটি ফরম পূরণ করতে হবে।

এরপর আপনি যদি নিজের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে apply for myself টিক মার্ক করে দিবেন। তারপর পর্যায়ক্রমে লিঙ্গ, নাম, পেশা, জন্ম তারিখ এবং জাতীয়তা নির্বাচন করতে হবে। সর্বশেষ সেখানে উল্লেখিত ফর্মে তথ্যগুলো সঠিকভাবে দেওয়ার পর নিচে দেওয়া কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করুন।

ঠিকানা নির্বাচন ও ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন

ঠিকানা নির্বাচন করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ আপনি যে ঠিকানায় আপনার পাসপোর্ট নির্বাচন করতে চাচ্ছেন সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে ঝামেলা থেকে বিরত থাকতো তাহলে আপনার সঠিক ঠিকানা সেখানে উল্লেখ করুন। এক্ষেত্র লিখিত আপনাকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে নিচের পয়েন্ট গুলো উল্লেখ করা হলো।

  • জেলার নাম
  • থানার নাম
  • গ্রামের নাম
  • রোড নাম্বার
  • পোস্ট অফিস
  • পোস্ট কোড

ইত্যাদি এ তথ্যগুলো আপনাকে একদম নিখুঁত এবং সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ আপনার এন আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রে যে তথ্যগুলো দেওয়া রয়েছে সেই তথ্যগুলো অনুযায়ী হুবহু সেখানে বসিয়ে দিন। আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং আপনার স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে বসিয়ে দিন।

ID documents

এই ধাপে আপনার পূর্বে কোন পাসপোর্ট করা ছিল কিনা সে বিষয়ে জানতে যাওয়া হবে। যেহেতু নতুন আপনি পাসপোর্ট করতে চাচ্ছেন সে ক্ষেত্রে No, I don’t have any previous passport” এটি সিলেক্ট করবেন। এরপর আপনার যদি অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে এই ধাপে “No, I don’t have” অপশনটি ক্লিক করুন। ID Documents এর সর্বশেষ ঘরে বেক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ইনপুট করতে হবে।

Parental information

এখানে আপনার পিতা-মাতার বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে। যেমন আপনার পিতার এন আই ডি কার্ড, আবার আবার তাদেরকে আইডি কার্ড নাম্বার প্রয়োজন হবে। এছাড়াও তাদের জাতীয়তা কি এবং তাদের পেশা সম্পর্কে সেখানে উল্লেখ করতে হবে। অতএব আপনাদের সুবিধার্থে নিচে তালিকা উল্লেখ করা হলো।

  • পিতার নাম (same as NID card)
  • NID Card Number
  • পেশা
  • মাতার নাম (same as NID card)
  • NID Card Number
  • পেশা
  • পিতার জাতীয়তা ও
  • মাতার জাতীয়তা

বৈবাহিক অবস্থা

এর পরবর্তী ধাপে আপনি আপনার বৈবাহিক অবস্থা চারটি অপশন দেখতে পারবেন এর মধ্যে উল্লেখিত অপশন গুলি হচ্ছে

  • সিঙ্গেল
  • ম্যারিড
  • ডিভোর্স
  • WIDOWER or WIDOW

উপরে দেওয়া লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে, যে অপশনটি আপনার সাথে মিলে যায় সেটি নির্বাচন করুন। এবং পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করুন।

Emergency  Contact

এখানে ইমারজেন্সি কন্টাক্ট বলতে জরুরি ভিত্তিতে আপনার পরিবারের অন্য সদস্যের মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার বড় ভাই হতে পারে, আপনার পিতা হতে পারে এবং আপনার মাথা ও বোন ইত্যাদি। তবে যার ঠিকানা এবং নাম্বার এখানে উল্লেখ করতে চাচ্ছেন তার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী উল্লেখ করাই উত্তম। বিশেষ করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ক্ষেত্রে জরুরী ভিত্তিতে অন্যান্য সদস্য সাথে যোগাযোগ করে থাকেন। তাই এই তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পাসপোর্টের ধরন

পরে ধাপে হয়তো এখানে দেখতে পাচ্ছেন পাসপোর্টের ধরণ। পাসপোর্ট এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে, আপনি কি ধরনের পাসপোর্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন সেটি নির্বাচন করুন। সেখানে উল্লেখ থাকবে ৪৮ পৃষ্ঠার 5 বছর এবং 10 বছরের মেয়েটি পাসপোর্ট। এবং ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট। আপনি যেভাবে পাসপোর্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন সেটি অবশ্যই নির্বাচন করুন।

ডেলিভারির ধরন

আপনি কোন ধরনের পাসপোর্ট পাবেন তার উপর নির্ভর করছে আপনি কত দিনের মধ্যে আপনার পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি সর্বনিম্ন দুইদিন থেকে ২১ দিন এর মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে থাকেন। পাসপোর্ট তিন ধরনের হয় এর মধ্যে হচ্ছে,বর্তমানে রেগুলার, এক্সপ্রেস এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে পাসপোর্ট করা যাচ্ছে।যারা জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে চান তারা সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে পাসপোর্ট তৈরি করুন। দুই থেকে ১৪ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন আপনার পাসপোর্ট।

ই-পাসপোর্ট ফি প্রদান

এই ধাপে আপনাকে ই পাসপোর্ট এর ফি প্রদান করতে হবে। আপনার ই পাসপোর্ট নির্ধারিত হবে আপনার পাসপোর্ট এর ধরন অনুযায়ী। ইতিমধ্যে উপরে দেখানো হয়েছে যে কোন ধরনের পাসপোর্ট অনুযায়ী কত টাকা নির্ধারিত এবং কত টাকা ফ্রি। অতএব আপনি যেকোনো মাধ্যমে ব্যবহার করে এ পাসপোর্ট ফি পেমেন্ট করতে পারবেন। তবে ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট করা সব থেকে নিরাপদ।

ই পাসপোর্ট সংগ্রহ

সর্বশেষ সকল কিছু সাবমিট হয়ে গেলে আপনি সেখান থেকে আবেদনের একটি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্থাৎ Application summery প্রিন্ট অথবা pdf আকারে সংগ্রহ করতে হবে। এরপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে আপনাকে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে।

এটা তাদের কথা অনুযায়ী আপনি বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করুন। সর্বশেষ আপনাকে দ্বারা আপনার মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে আপনার পাসপোর্ট সম্পন্ন হওয়ার পর। সর্বশেষ আপনাকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে নির্ধারিত টোকেন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

ই পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

এ সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পর সর্বশেষ আপনার জন্য কাজ হতে পারে এই পাসপোর্ট চেক করা। এর মাধ্যমে আপনার ই পাসপোর্ট সঠিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়। তাই ই পাসপোর্ট খুব সহজে এখান থেকে চেক করুন।

যেহেতু আপনি আপনার ই পাসপোর্ট চেক করতে চাচ্ছেন তাহলে আপনাকে CHECK STATUS প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশ করার পর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন আইডি অথবা অ্যাপ্লিকেশন আইডি দিয়ে সাথে জন্মতারিখ বসানোর পর বর্তমান স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন। আর এটিই হচ্ছে আপনার এই পাসপোর্ট চেক করার একমাত্র উপায়।

শেষ কথা

আশা করতেছি আপনারা এই পোস্ট থেকে কি পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ জানতে পেরেছেন। কিভাবে এই পাসপোর্ট এর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয় তার সম্পূর্ণ তথ্য এবং ধাপগুলোর নিচে বিস্তারিত করেছি। আশা করছি ইতিমধ্যে আপনারা নিজে নিজে এখান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিয়েছেন। যদি এই পোস্ট থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার আশেপাশের ব্যক্তিত্বকে শেয়ার করে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment