ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম

ইন্টারনেটের পুরোপুরি ব্যবহার করতে ইমেইলের প্রয়োজন হয়। ইমেইল ছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন,কিন্তু ইন্টারনেটে পুরো স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন না। যেকোনো ইলেকট্রনিক মিল বার তথ্য প্রেরণ, অনলাইন প্লাটফর্মে রেজিস্ট্রেশন, চাকরির জন্য আবেদন সহ বিভিন্ন প্রয়োজনে এই ইমেইল কে ব্যবহার করা হয়। আপনার ইমেল হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক মেইল বক্স।

যার দ্বারা কোন খরচ ছাড়া যে কোন প্রকার যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। যে কোন প্রকার চিঠি অন্য কাউকে পাঠানো হয় এই ইমেইল আকারে। এমনকি বিভিন্ন তথ্য বা ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করেও রাখা যায়। তবে কিভাবে একটি ইমেইল আইডি খোলা যায় তা অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু অনেকেই ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম জানতে চাচ্ছেন। তাই তাদের জন্য এই পোস্টে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ইমেইল আইডি খোলার সম্পূর্ণ নিয়ম এখানে উল্লেখ করেছি। তাই শেষ পর্যন্ত পোস্ট দেখুন।

ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম

বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে আপনি ইমেইল করতে পারেন। বর্তমানে তিনটি জনপ্রিয় ইমেইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য Gmail (Google Mail),Yahoo Mail, Microsoft এর Outlook Mail আরো ইত্যাদি। অর্থাৎ এই প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে আপনি একটি অথবা একের অধিক আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ইমেইল আইডি খুলতে পারবেন।

তবে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ জিমেইল আইডি ব্যবহার করেন। এবং এর জিমেইল আইডিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাবে ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে থাকে। বিশেষ এ সকল প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা একজন ব্যক্তি অনেকটা সেবা পেয়ে থাকে। অতএব আপনি যে প্লাটফর্মেই ইমেইল আইডি খুলতে চান না কেন। তা খুব সহজে ইমেইল আইডি খুলতে পারবেন। তাই সম্পূর্ণ পোস্ট শেষ পর্যন্ত দেখুন।

নতুন ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম

এই ইমেইল মানেই বিনামূল্যে অথবা পেইড। আপনি ফ্রিতেও আপনার ক্লাইন্ট এবং আপনার প্রতিটি ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা পেইড বা টাকা দিয়েও আপনি বিভিন্ন মেল করতে পারেন অন্যদের মাঝে। গুগল দ্বারা পরিচালিত ইমেইল করার একটি প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে জিমেইল। এই Gmail এ POP3 এবং IMAP সুবিধা রয়েছে।

অতএব সব থেকে সহজ ভাবে বুঝাতে গেলে ইমেইল করার জন্য একটি এড্রেস বা একটি প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন। সেই ইমেইল করার প্ল্যাটফর্ম আপনার সুবিধা অনুযায়ী হতে পারে। জিমেইল, ইয়াহু, এবং আউটলুক আরো ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনাদের সুবিধার্থে ইমেইল একাউন্ট তৈরি করার প্রক্রিয়া বিস্তারিত দেখিয়েছি তাই শেষ পর্যন্ত দেখুন।

ফ্রি ইমেইল একাউন্ট তৈরি করুন

আমরা প্রতিদিনই ইন্টারনেটের বেশিরভাগ সময় কাটিয়ে থাকি। তো এই সময় বিভিন্ন ডকুমেন্ট, ইনফরমেশন এর আদান-প্রদান, অনলাইন একাউন্ট, প্রফেশনাল কমিউনিকেশন ইত্যাদি কাজ করতে একটি ইমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয়। তবে আপনি চাইলে এই একাউন্ট গুলো ফ্রিতে তৈরি করতে পারবেন।

যেমন জিমেইল একাউন্ট আপনি ফ্রিতে তৈরি করতে পারবেন। এই জিমেইলের প্রায় দুই বিলিয়ন ইউজার রয়েছে। এবং তারা ফ্রিতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। জিমেইলের আওতায় গুগল ড্রাইভ ১৫ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ ফ্রি সেবা পাচ্ছে। বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট লগইন করতে পারছে বিনা পয়সায় অর্থাৎ একদম ফ্রিতে।

ইমেইল আইডি খুলতে কি কি লাগে

আপনার ইমেইল একাউন্ট কোন সার্ভিস প্রোভাইডার দ্বারা তৈরি করবেন সেটা আপনার উপর নির্ভর করছে। এক্ষেত্রে আপনি জিমেইল, ইয়াহু এবং আউটলুক এর মধ্যে যেকোনো একটি পছন্দ করে ইমেইল একাউন্ট খুলতে পারেন। তবে আজকে আপনাদের মোবাইলের মাধ্যমে কিভাবে জিমেইল একাউন্ট খুলতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তবে ইমেইল আইডি সাধারণত যেকোনো সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে খুলতে কি কি লাগে সেটি আপাতত জেনে রাখুন।

  • একটি স্মার্টফোন/ ল্যাপটপ/ কম্পিউটার।
  • একটি নির্দিষ্ট ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার।
  • ভেরিফিকেশনের জন্য মোবাইল নাম্বার।
  • ইন্টারনেট কানেকশন।

জিমেইল আইডি খোলার নিয়ম

আপনি ইমেইল একাউন্ট বা জিমেইল আইডি খোলার চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছেন। এখন শুধুমাত্র আপনাকে একটি জিমেইল আইডি নিচের দেওয়া ধাপগুলো অনুসরণ করে খুলে নিতে হবে। ইমেইল একাউন্ট খোলার জন্য আরো দুটি বা আরো কয়েকটি অনলাইন প্লাটফর্ম রয়েছে।

তবে বাংলাদেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জিমেইল একাউন্ট সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হয়। এবং এটি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সুবিধা পূর্ণ। তাই জিমেইল আইডি খোলা নিয়মটি বিস্তারিত দেখুন। এই জিমেইল আইডি দিয়ে সকল কাজ আপনি খুব সহজেই করতে পারবেন।

এবং যে কোন অ্যাপ খুব সহজে লগইন করতে পারবেন। অর্থাৎ বিভিন্ন জায়গায় এই জিমেইল আইডি দিয়ে আপনি বিভিন্ন কাজ করতে এক্সেস পেয়ে যাবেন। তাই ধাপ ০১ থেকে শুরু করে ধাপ ০৯ পর্যন্ত অনুসরণ করুন আশা করা যায় জিমেইল একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

ধাপ ১: জিমেইল এড একাউন্ট 

প্রথমে আপনার মোবাইলের সেটিং অপশনে প্রবেশ করুন। তারপর সেখানে Accounts লিখে সার্চ করুন অথবা খুঁজুন। তারপর সেখানে প্রবেশ করুন। প্রবেশ করার অ্যাড অ্যাকাউন্ট নামের আপনি ক্লিক করে গুগল নির্বাচন করুন।

ধাপ ২: অ্যাকাউন্ট তৈরি

প্রথম ধাপ সম্পূর্ণ করার পর একটি ডিসপ্লে আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে। তারপর সেখান থেকে (Create account) ক্লিক করুন নতুন করে জিমেইল আইডি খোলার জন্য। সেখানে আপনি দুটি অপশন দেখতে পাবেন। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য- For myself এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজনে- To manage my business, সিলেক্ট করুন। সর্বশেষ আপনি , নেক্সট (Next) বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৩: আপনার নাম লিখুন

এভাবে আপনার জিমেইলের একটি নাম দিতে হবে যেমন আপনার নাম। ফার্স্ট নেম এবং শিওর নেম দিতে হবে। ফার্স্ট নেম (First name) অপশনে আপনার নামের প্রথম অংশ, তারপরে রয়েছে Surname. অতঃপর নিচের নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৪: আপনার সাধারণ তথ্যাবলী দিন 

নিচের দেওয়া ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং সেখানে আপনার জন্ম তারিখ দিতে হবে, এবং আপনার জেন্ডার নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ আপনি কোন লিঙ্গ সেটা নির্বাচন করুন। আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে Male নির্বাচন করুন। এবং আপনি যদি মেয়ে হয়ে থাকেন তাহলে Female নির্বাচন করুন। আর আপনি যদি তৃতীয় লিঙ্গের হয়ে থাকেন তাহলে Rather not say সিলেক্ট করে ‘Next’ বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৫: পছন্দসই জিমেইল এড্রেস লিখুন

পরের ধাপে আপনাকে আপনার জিমেইলের একটি নাম পছন্দ করতে হবে অর্থাৎ এটা হচ্ছে ইউজার নেইম। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যদি ইউজার নেম দেওয়ার পরে লাল চিহ্ন আসে তাহলে আপনি কি পুনরায় নাম চেঞ্জ করে অন্য নাম দিতে হবে।

আপনার পছন্দমতো একটি ইউনিক জিমেইল এড্রেস লিখুন। জিমেইল এড্রেস টি পূর্বে ব্যবহৃত হলে থাকলে লাল রঙে- ‘This username is Taken’ লেখাটি আসবে। প্রথমে দেওয়া এড্রেসের সাথে কিছু সংযোজন করলে তা গ্রহন করা হবে। নিচের Available অপশনে অন্য কোন এড্রেস সাজেস্ট করা হবে, সেটিও সিলেক্ট করতে পারেন। তারপর, নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৬: পাসওয়ার্ড লিখুন

সর্বশেষ ধাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনাকে আপনার এই জিমেইলের একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। অবশ্যই অনেকটা শক্তিশালী এবং কয়েকটা ক্যারেক্টার মিলে দিতে হবে। যাতে কেউ আপনার অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে না পারে। এক্ষেত্রে আপনার পাসওয়ার্ডের ধরন হতে পারে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা চিহ্ন এবং প্রতীক।

ধাপ ৭: মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন

তারপর নিচে দেওয়া ছবিটিতে দেখতে পারবেন আপনাকে একটি মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। অর্থাৎ জিমেইল পরবর্তীতে লগইন করার সুবিধার্থে একটি মোবাইল নাম্বার সিকিউরিটি হিসেবে প্রদান করতে হবে। তবে মোবাইল নাম্বার না দিলেও চলে। তবে প্রফেশনাল জিমেইলের ক্ষেত্রে অবশ্যই মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন। মোবাইল নাম্বার সংযুক্ত করার পর আপনার কাছে সংখ্যার একটি otp কোড পাঠানো হবে। অতঃপর ওটিপি কোড সেখানে বসিয়ে দিন। এবং আপনার নাম্বার ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।

ধাপ ৮: জিমেইল একাউন্ট রিভিউ

ইতিমধ্যে আপনার জিমেইল তৈরি করার সকল প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এখন আপনি আপনার জিমেইল একাউন্ট রিভিউ করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার জিমেইল একাউন্টের নাম এবং মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি সঠিক রয়েছে কিনা অর্থাৎ ব্যবহার হচ্ছে কিনা তার রিভিউ করা।

ধাপ ৯: গুগল এর নীতিমালা মেনে নিন

তারপর আপনার সামনে গুগলের একটি নীতিমালা আসতে পারে। সেটি অবশ্যই একদম নিচে প্রবেশ করে ‘I agree’ অপশনে ক্লিক করুন।

ইমেইল আইডি কেনো খুলবেন

বিভিন্ন কারণে আমরা ইমেল আইডি খুলতে পারি। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন স্মার্টফোন বা এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তাদের জন্য তো এই ইমেইল একাউন্ট বা আইডি বাধ্যতামূলক প্রায়ই বলা চলে। যেমন ধরুন অনলাইন কেনাকাটা বা শপিং করার ক্ষেত্রে ইমেল আইডির প্রয়োজন হয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে বা আপনার এড্রেস তাদেরকে শেয়ার করতে।

এবং বিভিন্ন ভিডিও অডিও এবং মিডিয়া ফাইল শেয়ার করতেও একটি ইমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয় না। এবং বিভিন্ন থার্ড পার্টি অ্যাপস এবং প্রয়োজনে ওয়েবসাইটগুলোতে রেজিস্ট্রেশন এবং লগইন করতে একটি জিমেইল একাউন্টের বা ইমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয়। এমনকি আপনার অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রেও ইমেইল আইডি আপনি ব্যবহার করতে পারেন। 

ইমেইল অ্যাকাউন্ট এর প্রয়োজনীয়তা

  • ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে যে কোন প্রকার মেসেজ ছবি এবং বিভিন্ন ডকুমেন্ট আদান-প্রদান করা সহজ হয়। অর্থাৎ একটি ইমেইল একাউন্ট অধিক প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। 
  • এই ইমেইল একাউন্ট একটি ফ্রি টুল। আপনি ফ্রিতে এই ইমেইল একাউন্টে ব্যবহার করতে পারেন। তবে বিশেষ সুবিধা পেতে আপনি টাকা দিয়েও এই অ্যাকাউন্টগুলো বা টুল গুলো ব্যবহার করতে পারেন।
  • বর্তমান যুগে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রসারের জন্য এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে এই ইমেইল একাউন্ট অনেক অনেক বেশি প্রয়োজনীয় এবং সাহায্য করে থাকে। শুধুমাত্র সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
  • আপনি বাংলাদেশে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিশ্বের যে কোন দেশে এই ইমেইল একাউন্ট থেকে অন্য ইমেইল অ্যাকাউন্টধারী ব্যক্তিকে খুব সহজে তথ্য আদান প্রদান করতে পারেন এবং যোগাযোগ করতে পারেন।
  • এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে যে কোন ছবি বা ভিডিও সহজে পরিষ্কারভাবে পাঠানো সম্ভব হয়।
  • এবং আমাদের সব থেকে বেশি ব্যবহৃত ইউটিউব, ফেইসবুক এবং বিভিন্ন থার্ড পার্টি অ্যাপ গুলো খুব সহজে লগইন করতে বা রেজিস্ট্রেশন করতে এই একটি ইমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয়।
  • যদি জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনি এর আওতাধীন  google ড্রাইভের ১৫ জিবি স্টোরেজ পর্যন্ত ফ্রি পাবেন। যেখানে আপনি বিভিন্ন আপনার ব্যক্তিগত ছবি, গুগল ডক্সের বিভিন্ন তথ্য, এবং ভিডিও সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।
  • বিশেষ করে যারা স্মার্টফোন বা এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তাদের জন্য জিমেইলের ইমেইল একাউন্ট প্রায় বাধ্যতামূলক বলাই চলে। এছাড়াও প্লে স্টোর ব্যবহার করতেও এই একটি জিমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয়।

ফেসবুক ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম

উপরে যে প্রক্রিয়ায় ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম দেখে নিয়েছেন সেই প্রক্রিয়ায় একটি ফেসবুক ইমেইল আইডি খোলা যায়। অর্থাৎ ওই ইমেইল আইডি আপনি ফেসবুক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ আলাদা করে আপনার ফেসবুকে ই-মেইল আইডি খুলতে হবে না। অর্থাৎ উপরে ধানগুলো অনুসরণ করে যে ইমেইল আইডি তৈরি করেছেন। সেটি লগইন করুন তাই হয়ে যাবে। অথবা সেটআপ করুন ফেসবুক একাউন্টে গিয়ে।

শেষ কথা

আশা করতেছি আজকের এই পোস্ট আপনারা অনেক বেশি ইনজয় করতে পেরেছেন। এবং আপনার একটি ইমেইল একাউন্ট তৈরি করে নিয়েছেন। খুব সহজে প্রক্রিয়া আপনাদেরকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। খুব দ্রুত একটি ইমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে পারেন। আরো আশা করতেছি ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছেন। আশেপাশের অন্যান্য ব্যক্তি কে এই পোস্ট শেয়ার করে দিন। যাতে তারাও নিজে নিজেই একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে পারে। ধন্যবাদ

Leave a Comment