মাতৃত্বকালীন ভাতা অনলাইন আবেদন ২০২৪

মাতৃত্বকালীন ভাতা আবেদনের জন্য সর্বনিম্ন ২০ বছর হতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। তবে এর সাথে থাকতে হবে জাতীয় পরিচয় পত্র। তবে অনেকেই মনে করেন এন আইডি কার্ড হলেই হবে। মাত্র তো কালীন ভাতা পাওয়ার আরেকটি নিয়ম হচ্ছে প্রথম গর্ভধারণ এবং দ্বিতীয় গর্ভধারণ। এরপরে গর্ভধারণ করলে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাবেন না। এবং এই মাতৃত্বকালীন ভাতা কিভাবে পেতে হয় তার একটি নিয়ম রয়েছে।

আপনি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে এইমাত্র করেন ভাতা আবেদন করতে পারবেন। নতুবা আপনার ইউনিয়ন পরিষদ অথবা উপজেলা পরিষদের গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি আবেদন ফরম সংগ্রহ করে তার পূরণ করে নির্দিষ্ট জায়গা জমা দিতে হবে। যেহেতু মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে চাচ্ছেন তাই এই পোস্ট থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা অনলাইন আবেদন বিস্তারিত দেখে নিন।

মাতৃত্বকালীন ভাতা অনলাইন আবেদন

এই মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করা যায়। যেমন ব্যক্তিগত তথ্য, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিতে হবে। এবং আর্থসামাজিক তথ্য প্রদান করতে হয়, ও পেমেন্টের তথ্য প্রার্থীর ছবি এবং স্বাক্ষর দিলেই একজন ব্যক্তির মাতৃত্বকালীন ভাতা অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হয়ে যায়।

তবে একজন গর্ভধারিণী মহিলা মাতৃত্বকালীন ভাতা আবেদন করলে প্রতি মাসে ৮০০ টাকা এবং ছয় মাস অন্তর ৪৮০০ টাকা পেয়ে থাকেন। এবং ২৪ মাসে অর্থাৎ দুই বছরে টোটাল ১৯ হাজার ২০০ টাকা পেয়ে থাকেন। অতএব আপনি কিভাবে মাতৃত্বকালীন ভাতা নিজে নিজে আবেদন করবেন তার প্রক্রিয়া এই পোস্টটি থেকে দেখে।

অনলাইনে গর্ভবতী কার্ড করার নিয়ম

আপনি যদি একে একে দুবার গর্ভবতী হয়ে থাকেন তাহলে এক্ষেত্রে আপনি গর্ভবতী কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তৃতীয় সন্তান গর্ভে থাকলে আপনি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন না। এবং প্রত্যেক স্বামী স্ত্রীকে ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থাকতে হবে অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আবেদন করতে হবে, নতুবা আপনার সিটি কর্পোরেশন হতে আবেদন করতে হবে।

সর্বশেষ আপনার পৌরসভার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা যদি আবেদনটি মঞ্জুর করেন তাহলেই আপনি মাতৃত্বকালীন ভাতা পেয়ে যাবেন। আপনার কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌরসভা থেকে। সঠিক মনে হলেই আপনি মাতৃত্বকালীন ভাতা পেয়ে যাবেন। এবং প্রতি মাসের ১ থেকে ২০ তারিখের মধ্যেই মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন করতে হবে।

মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার শর্ত ২০২৪

আর যদি কেউ মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে অবশ্যই কয়েকটি শর্তের মধ্য দিয়ে আপনাকে আবেদন করতে হবে। এখনো মহিলার প্রথম এবং দ্বিতীয় সন্তানের মধ্যে থেকে একটি সন্তান মারা যায়, তাহলে তৃতীয় গর্ভধারণের সময় সে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। অতএব বিভিন্ন শর্ত পূরণ করে আপনাকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৪০ টাকা ফি পরিশোধ করে আবেদন করতে হবে।

  • বয়স ২০ বছর হতে হবে।
  • গর্ভধারণ হতে হবে প্রথমবার অথবা সর্বোচ্চ দ্বিতীয়বার।
  • মাসিক ইনকাম ১৫০০ টাকার ভিতরে থাকতে হবে
  • অন্যের বাড়িতে থাকে বা নিজের বসতবাড়ি আছে।
  • পরিবারের কারো কৃষি জমি নেই অথবা মাছ চাষের পুকুর নেই এমন ব্যক্তি।
  • আবেদন করার সময় অবশ্যই গর্ভবতী থাকতে হবে।
  • যে ব্যক্তি আবেদন করবে তাকে অবশ্যই দরিদ্র হতে হবে।

গর্ভবতী ভাতা পাওয়ার নিয়ম

বিভিন্ন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় এই গর্ভবতী ভাতা পাওয়ার জন্য। এক্ষেত্রে আপনাকে সকল যাবতীয় কাগজপত্র সমূহ আমি প্রস্তুত করেই আপনাকে আবেদন করতে হবে। এর মধ্যে উল্লেখিত কয়েকটি নিয়ম অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে। যেমন আপনার মাসিক ইনকাম প্রতি মাসে ১৫০০ টাকার ভিতরে থাকতে হবে। এবং আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে। এবং কি কি কাগজপত্র লাগে তা নিচের প্যারা থেকে দেখে নিন।

গর্ভবতী ভাতার আবেদনে কি কি কাগজপত্র লাগে

মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে তার সব কয়টি তথ্য এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। তা আপনি যদি নিজে নিজে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে চান তাহলে অবশ্যই এই তথ্যগুলো আপনার প্রয়োজন পড়বে। তাই গুরুত্ব সহকারে নিচের দেওয়া তথ্য গুলো দেখে নিন। এবং আরো একটি নিচে প্রবেশ করে সে তথ্য অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি দুই কপি
  • সরকারি ভূমিকর্তা কর্তৃক সনদ
  • গর্ভকালীন সনদ নাগরিক সনদ।
  • ভোটার আইডি কার্ড।
  • ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন।
  • স্টিকার কার্ড যদি প্রয়োজন পড়ে।

মাতৃত্বকালীন ভাতা অনলাইন আবেদন নিয়মসমূহ

গর্ভবতী ভাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতা একই। এ ভাতা গুলো পেতে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তবে আপনি যদি নিজে নিজে না করতে চান এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে তথ্য ইউনিয়ন পরিষদে নির্দিষ্ট একজন কর্মচারীর সাথে যোগাযোগ করে আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ এই আবেদন তারা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে করে দিবে।

এবং পরবর্তীতে আপনি যদি নিজে নিজে এইমাত্র তো কালীন ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে চান। তাহলে খুব সহজেই করতে পারবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে। তাই নিচের ধাপগুলো শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করুন। আশা করা যায় আপনি এখান থেকেই মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

ধাপ ১: ব্যাক্তিগত তথ্য

আবেদন করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে এই http://103.48.16.6:8080/LM-MIS/applicant/onlineRegistration ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশ করার পর আপনাকে বিভিন্ন তথ্য সেখানে সাবমিট করতে হবে। অর্থাৎ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য উল্লেখ করতে হবে। অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র প্রস্তুত করে নিয়েছেন। তাহলে এই লিংকে প্রবেশ করার পর যে যে ডিসপ্লে আপনার সামনে প্রদর্শিত হয়েছে সেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করুন।

যেমন ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে গর্ভবতী মহিলা কোন অর্থবছরের সিটি নির্বাচন করুন। তারপর নিচে জাতীয় পরিচয় পত্র সঠিকভাবে বসিয়ে দিন। এবং জাতীয় পরিচয়পত্রে যে জন্ম তারিখ উল্লেখিত রয়েছে। সে জন্ম তারিখ দ্বিতীয় ঘরে বসিয়ে দিন। তার নিচে বাংলায় এবং ইংরেজিতে আপনার নাম লিখুন। ইংরেজি নাম অবশ্যই বড় হাতের অক্ষর দিয়ে লিখবেন।

তারপর আপনার পিতার নাম এবং মাতার নাম সেখানে লিখুন। আপনার স্বামীর নাম এবং ব্যাচ লিখে দিন। বাম পাশে ফাঁকা ঘর গুলো পূরণ করার পর ডান পাশের ফাঁকা ঘরগুলো পূরণ করুন। ডান পাশে বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করতে হবে যেমন যে নামে পরিচিত সে নাম লিখবেন, জন্মস্থান, ধর্ম, মোবাইল নাম্বার, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রক্তের গ্রুপ কি,বৈবাহিক তথ্য আর ইত্যাদি।

এবং সর্বশেষ আবেদনকারী গর্ভবতী মহিলা যদি প্রবাসী হয়ে থাকেন তাহলে এন আর বি টিক চিহ্ন দিতে হবে। আবেদনকারী যদি অন্য ধরণের কোনো সরকারি ভাতা পেয়ে থাকেন তাহলে “অন্য কর্মসূচির ভাতাভোগী কি?” এই বক্সে টিক চিহ্ন দিতে হবে

ধাপ ২: বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা

এই ধাপে আপনাকে বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। আশা করা যায় এই ধাপ আপনি সহজে পূরণ করতে পারবেন। যেমন আপনার বর্তমান ঠিকানায় তার বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করতে হবে। সে তথ্য গুলোর। মধ্যে প্রথম ফাঁকা ঘরে আপনার বাড়ি এবং গ্রামের নাম উল্লেখ করতে হবে। আপনার রাস্তা ব্লক বা সেক্টর উল্লেখ করুন। সর্বশেষ বর্তমান ঠিকানায় আপনার বিভাগ, আপনার জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ, ওয়ার্ড নং এবং পোস্ট কোড সঠিকভাবে বসিয়ে দিন।

এক্ষেত্রে আপনার স্থায়ী ঠিকানা যদি বর্তমান ঠিকানার মত হুবহু মিল থাকে তাহলে ছবিটিতে উল্লেখিত লাল বক্সে একই লেখাটিতে টিক চিহ্ন দিন। নতুবা পূর্বের ঘরের বর্তমান ঠিকানা মতো বাড়ি. বিভাগ. জেলা,ইউনিয়ন পরিষদ সম্পন্ন সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।

ধাপ ৩: আর্থ-সামাজিক তথ্য

নিচের ছবিটি দেখলেই বুঝতে পারবেন আপনাকে কোন তথ্যগুলো সেখানে প্রদান করতে হবে। আপনাদের সহজে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ফাঁকা ঘরগুলি পূরণ করার প্রক্রিয়া দেখানো হলো। প্রথমে পরিবারের প্রথম রোজগারী মহিলার কে তা বেছে নিন। আপনাদের মাসিক আয় কত সেটি উল্লেখ করুন। তবে মাসিক ১৫০০ টাকার মধ্যে থাকতে হবে। এর বেশি হলে আপনি মাতৃত্বকালীন ভাতা পাবেন না।

এরপর ধাপে ধাপে আপনার নিচের দেওয়া তথ্য গুলো সঠিকভাবে পূরণ করে দিন। বাসস্থান আছে কিনা, আপনাদের কোন জমি বা পুকুর আছে কিনা, আপনার বয়স উল্লেখ করুন। তারপর আপনার কততম গর্ভধারণ সেটি উল্লেখ করুন। সর্বশেষ পরে ধাপটি অনুসরণ করুন।

ধাপ ৪: পেমেন্টের তথ্য

এখানে আপনাকে পেমেন্টের বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে। যেমন আপনি কোন মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করতে চান সেটা নির্বাচন করতে হবে। উল্লেখিত সেখানে বিকাশ নগদ এবং বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নাম্বার উল্লেখ করার অপশন থাকতে পারে। তাই আপনি যে একাউন্টে টাকা পেতে চান সেটি নির্বাচন করুন। তারপরে আপনাকে মোবাইল নাম্বার প্রদান করতে হবে।

ধাপ ৫: প্রার্থীর ছবি/স্বাক্ষর

সর্বশেষ ধাপে আবেদনকারী ছবি দিতে হবে এবং স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। আপনার ছবি আপনার মোবাইলে যদি থাকে তাহলে সেখান থেকে আপলোড করে দিতে পারবেন। এবং স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে কোন একটি কাগজে প্রথমে একটি স্বাক্ষর দিবেন। তারপর সেই স্বাক্ষর মোবাইল দিয়ে ছবি উঠিয়ে আপলোড করে দিন। তারপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন নতুবা এখান থেকেই আপনার তথ্য সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে আপনাকে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

মাতৃত্বকালীন ভাতা বয়স সীমা

যদি মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে চান তাহলে আপনার সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ২০ বছর। এর নিচে কোন গর্ভধারি মহিলা মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এবং সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে হবে এই মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন করার জন্য।

মাতৃত্বকালীন ভাতা কত টাকা।

প্রত্যেক গর্ভধারী মহিলাকে মাতৃত্বকালীন ভাতা হিসেবে তার প্রতি মাসে ৮০০ টাকা প্রদান করে থাকে।  এই প্রকল্প গ্রামের গরিব দুস্থ পরিবারের মেয়েদের জন্য সরকার ব্যবস্থা করেছেন। এ সময় একজন ব্যবধানে মহিলার জন্য অনেক পুষ্টির প্রয়োজন। তাই সুস্থ সন্তানের লক্ষ্যে সরকার গরিব গর্ভবতী মহিলাদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

একজন গর্ভবতী মহিলা মাতৃত্বকালীন ভাতা ও ৬ মাসে ৪৮০০ টাকা পাবেন। এবং ২ বছরে ১৯ হাজার ২০০ টাকা মাতৃত্বকালীন ভাতা পাবেন। এবং দুইজন সন্তানের জন্য ৩৬ মাসে মোট ২৮,৮০০ টাকা দেওয়া হয়। তবে ২৪ মাসের এই টাকা ৪ কিস্তিতে প্রদান করা হয়।

শিশু ভাতা অনলাইন আবেদন

এই শিশু ভাতা এবং এবং মাতৃত্বকালীন ভাতা একই। আপনি ইতিমধ্যে যেভাবে মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন প্রক্রিয়ার সম্পন্ন করেছেন ঠিক একইভাবে বিশেষভাবে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যে টাকা প্রদান করা হয়। শিশু ভাতার জন্যও সেই ৮০০ টাকা প্রদান করা হয়।

শিশু ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে এই http://103.48.16.6:8080/LM-MIS/applicant/onlineRegistration সাইটে প্রবেশ করতে হবে। এবং প্রবেশ করার পর মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন করেছেন ঠিক কিভাবে শিশুর ক্ষেত্রে সম্পন্ন করুন। আশা করা যায় আপনি ভাতা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

শেষ কথা

আজকের এই পোস্ট থেকে আপনারা মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন।  এছাড়াও মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে কি কি শর্ত সমূহ পূরণ করতে হয় তার বিস্তারিত তথ্য এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। খুব সহজভাবে মাতৃত্বকালীন ভাতা অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করছি এই পোস্ট থেকে আপনারা অনেকটা উপকৃত হয়েছেন। আপনি পোস্ট থেকে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার আশেপাশের ব্যক্তিদের কে জানিয়ে দেবেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment