ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম ২০২৪

বর্তমান এই অনলাইন দুনিয়ায় সবথেকে ভিডিও প্রচারের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে এই ইউটিউব চ্যানেল। ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়স্ক পর্যন্ত যেকোনো মানুষের জন্য এই ইউটিউব চ্যানেলের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এবং সবার জন্য প্রযোজ্য সকল ধরনের ভিডিও ইউটিউবে পাওয়া যায়। এমনকি পুরো বিশ্বের মাঝে খবরা-খবর সম্প্রচারের জন্যেও শীর্ষে রয়েছে।

আপনি যদি এই ইউটিউব চ্যানেলে নিজে ভিডিও আপলোড করতে চান তাহলেও খুব সহজেই করতে পারবেন। এজন্য আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। আপনি যখন একটি জিমেইল আইডি তৈরি করেছিলেন।

ঠিক তখনই আপনা আপনি আপনার জন্য একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র সেটাকে একটু কাস্টমাইজেশন এবং মডিফাই করতে হবে। এছাড়াও সঠিকভাবে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম আমাদের এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত দেখে নিন।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

বর্তমান বিশ্বে এমন কেউ নেই যারা এই ইউটিউব চ্যানেল সম্পর্কে জানেন না। ছোট থেকে বৃদ্ধ বয়সী  ব্যক্তিদের জন্য এই ইউটিউব চ্যানেল উন্মুক্ত। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক চতুর্থাংশে মানুষ সপ্তাহে ১০ ঘন্টারও বেশি ভিডিও দেখে থাকেন। কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষ রয়েছেন যারা এই ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করে থাকে।

আপনি নিজেও একজন ইচ্ছে করলে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে এজন্য আপনাকে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। তাই আপনিও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ব্যক্তিগত অথবা ব্যবসার জন্য ধরনের ক্যাটাগরির ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ফেলুন। তবে আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার ক্ষেত্রে আমাদের এখান থেকে সাহায্য নিতে পারেন।

প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

জেনে রাখুন প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হলে আপনাকে ইউটিউব চ্যানেলের সকল সেটিংসগুলো সুন্দরভাবে কাস্টোমাইজেশন করতে হবে। এবং আপনার যে ক্যাটাগরি নিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি, সেই তৈরিকৃত চ্যানেল সম্পর্কে সকল তথ্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলে প্রদান করতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনার প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হলে অবশ্যই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো সেটিংস ভালোভাবে কাস্টমাইজেশন করতে হবে। এবং ভালোভাবে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করতে হবে। আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে একটু নিচে প্রবেশ করুন।

ইউটিউব চ্যানেল কি?

এই ইউটিউব মার্কেটিং (YouTube Marketing) হলো ইউটিউবে বিজনেস, ব্র্যান্ড, প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের প্রচারণা করা। এর মাধ্যমে ভিডিও শেয়ার করা ডাউনলোড করা এবং সম্প্রচার করা হয়। যেখানে পুরো বিশ্বের মানুষ এর সাথে ওতপ্রত ভাবে জড়িত। অর্থাৎ ইউটিউব হচ্ছে ভিডিও শেয়ার করা এবং ভিডিও দেখার একটি ওয়েবসাইট।

এই ইউটিউবে যারা ভিডিও আপলোড করে থাকেন আমি তাদেরকে ইউটিউবার বলা হয়। এই ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব হয়। এবং বর্তমানে বাংলাদেশেও অনেক মানুষ ইউটিউবিং করে অনেক টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছেন। আপনি নিজেও পারবেন এজন্য আপনাকে সর্বপ্রথম একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন?

ইউটিউব চ্যানেল আপনি পার্সোনাল অথবা ব্র্যান্ড একাউন্ট হিসেবে তৈরি করতে পারেন। যেখানে পার্সোনাল বা ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা অনেকটা সহজ। অর্থাৎ ব্যক্তিগতভাবে বা একক ভাবে চেয়ে বেশি কন্টেন্ট কে মানুষের জন্য রিপ্রেজেন্ট করা।

আর ব্র্যান্ড একাউন্ট যেটা বিভিন্নভাবে একে অধিক মানুষ সেটাকে পরিচালিত করে। এবং ব্যবসা উদ্দেশ্যে সেই ইউটিউব চ্যানেল কনটেন্টকে ভিন্ন মানুষের মাঝে সম্প্রচার করা বা রিপ্রেজেন্ট করা। তো চলুন কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন তার বিস্তারিত প্রক্রিয়ার নিচে দেখানো হলো।

চ্যানেল খোলার স্টেপ বাই স্টেপ নিয়ম

ফেব্রুয়ারি মাসের ২০০৫ সালের সর্বপ্রথম ইউটিউব প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে google সাইটটিকে ১.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করে নেয়। বর্তমানেও এই ওয়েবসাইটটি গুগল দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বহু মানুষ এই ইউটিউব চ্যানেল থেকে কত টাকা ইনকাম করছেন।

এবং তাদের একমাত্র পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আপনিও ইউটিউব থেকে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তো টাকা ইনকামের পূর্বে অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল খোলার স্টেপ বাই স্টেপ নিয়ম গুলো দেখে নিন।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার প্রথম স্টেপ

এই ইউটিউব চ্যানেল খোলার  সর্বপ্রথম ধাপ হচ্ছে আপনাকে এই https://www.youtube.com/ লিংকে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশ করার পর ডান পাশে সাইন ইন’ এ ক্লিক করুন। আপনার যদি ইতিমধ্যে গুগল একাউন্ট সাইন ইন থাকে তাহলে সাইন ইন করুন। এরপর যদি একাউন্ট একাধিক থাকে তাহলে যে অ্যাকাউন্ট দ্বারা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট বা নির্বাচন করুন।

আর যদি কোন গুগল একাউন্ট না থাকে তাহলে ‘Create Account’ অপশনটি ক্লিক করে নতুন করে একটি গুগল একাউন্ট খুলুন। তারপর খুব সহজভাবে আপনার ইউটিউব এ প্রবেশ করে শুধুমাত্র সাইন ইন করুন। এরপর দ্বিতীয় ধাপটি অনুসরণ করুন।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার দ্বিতীয় স্টেপ

সাইন ইন হওয়ার পর উপরে ডান পাশে আপনার google একাউন্টের আইকন অপশনটি ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর সেখানে google একাউন্ট এবং ইউটিউব একাউন্টে রিপ্রেজেন্ট করবে অর্থাৎ সেখানে দুটি অপশন দেখতে পারবেন। ইউজার আইকনে ক্লিক করার পর একটি ড্রপ ডাউন মেনু আসবে সেখান থেকে সেটিং ক্লিক করুন।

অতএব সেটিং এ প্রবেশ করার পর ‘Create a New Channel’ বা ‘Your Channel’ দুটি আপনি থাকবে তার মধ্যে যে কোন একটি নির্বাচন করুন। তারপর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে গেট স্টার্ট অপশনটি নির্বাচন করুন। 

ইউটিউব চ্যানেল খোলার তৃতীয় স্টেপ

বলতে গেলে আপনার ইউটিউব চ্যানেল ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু আপনার ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন করা বাকি রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনার youtube চ্যানেলে প্রবেশ করার পর “Your Channel” অপশনে ক্লিক করুন। তারপর “CUSTOMIZE CHANNEL একটি অপশন দেখতে পারবেন। সেখানে ক্লিক করলেই ইউটিউব এর বর্তমান সিম অনুযায়ী কয়েকটি অপশন দিতে পারবেন।

এর মধ্যে উল্লেখিত অপশন গুলো হচ্ছে Layout, Branding, Basic Info. তারপর অপশন গুলোতে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রদান করুন। তবে এখানে  উল্লেখিত অপশন গুলোতে সঠিক তথ্য গুলো প্রদান করলে আপনার ইউটিউব চ্যানেল হয়ে উঠবে প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল। এবং পরবর্তীতে আপনি ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। 

ইউটিউব চ্যানেলের সেটিংস

আপনার ইউটিউব চ্যানেলের কয়েকটি সেটিংস রয়েছে। যেগুলো আপনার অবশ্যই সেই সেটিংগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং সেটআপ করা উচিত। তো চলুন কয়েকটি সেই ইউটিউব চ্যানেলের সেটিংস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

  • Channel status and features
  • Basic info
  • Advanced settings
  • YouTube channel verification
  • Channel customization
  • View advanced settings
  • Profile picture Set
  • Banner image Set
  • Layout

আরো ইত্যাদি সেটিংস রয়েছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই এ টু জেড কাস্টমাইজড হতে হবে। তাহলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের প্রফেশনাল youtube চ্যানেল হিসেবে পরিগণিত হবে। তবে এসব ইউটিউব চ্যানেলগুলো আপনি ইউটিউবে অনেক ভিডিও দেখে প্রফেশনালি করে নিতে পারবেন। তবে এজন্য আপনাকে একটু পরিশ্রম করতে হবে। 

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো

আপনি এই ইউটিউব চ্যানেল মোবাইল দিয়ে খুলতে পারবেন। আবার আপনার ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার দিয়েও খুলতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি গুগল ক্রোমে ইউটিউব লিখে সার্চ করলেই ইউটিউবের লিংক চলে আসবে।

সেই লিংকে প্রবেশ করার পর সবার আগে আপনাকে একটি জিমেইল আইডি দিয়ে সাইন ইন করে নিতে হবে। আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার চেষ্টা করে থাকেন। তাহলে ইউটিউবে ঢুকার পর ডান পাশের উপরে আপনার জিমেইলের একটি আইকন দেখতে পারবেন।

সেখানে ক্লিক করলে ক্রিয়েট চ্যানেল নামে একটি অপশন দেখতে পারবেন। অতএব সেটিতে ক্লিক করলে খুব সহজেই আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে নিতে পারবেন। তবে জিমেইল আইডিতে যে নাম দেওয়া থাকে। অটোমেটিক ইউটিউবে লগইন খুলে সেটি নাম তৈরি হয়ে যায়। তবে চাইলে পরবর্তীতে পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

যদি মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চান তাহলে খুব সহজেই খুলতে পারবেন। আর যদি আপনার মোবাইলে পূর্ব থেকে যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা থাকে তাহলে আপনি মোবাইলের সাহায্যে আবার নতুন করে youtube চ্যানেল খুলে নিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে আপনার মোবাইলে উল্লেখিত গুগল ক্রমে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশ করার পর ইউটিউব লিখে সার্চ করলেই আপনার মোবাইলে পুরো ইউটিউব ওপেন হয়ে যাবে। তবে উপরে ডান পাশে থেকে লগ ইন অথবা সাইন ইন করে নিন।

তারপরে প্রক্রিয়া খুবই সহজ, সেখান থেকে আপনি Create a new channel’ সিলেক্ট করুন। এরপর এখানে আপনি ইচ্ছে মতো আপনার youtube চ্যানেলের নাম লিখতে পারেন। তারপর প্রয়োজনীয় কাস্টোমাইজেশন আপনি নিজে নিজেই করে নিতে পারেন সেখান থেকে। অর্থাৎ আপনার  কাস্টমাইজেশন যত ভালো হবে আপনার ইউটিউব চ্যানেল তত ভালো হবে।

ইউটিউব চ্যানেল নাম

ইউটিউব থেকে খুব সহজে সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউটিউব চ্যানেলের নাম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়। অর্থাৎ কোন ক্যাটাগরি এবং কোন বিষয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে চাচ্ছেন। তার উপর ভিত্তি করে অর্থবোধক একটি ইউটিউব চ্যানেল নাম নির্বাচন করুন।

অনেক ক্ষেত্রে এই নাম সাবস্ক্রাইবার বা ভিজিটরদের অনেকটা আকর্ষণ করে। যা পরবর্তীতে আপনার  সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে অনেকটা সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করবেন অবশ্যই আপনার ভিডিও গুলো ইউনিক ভাবে তৈরি করবেন। যাতে খুব সহজেই ট্রাফিক আপনার ভিডিওতে আপনাকে ইউটিউব চ্যানেলের নাম অনুযায়ী প্রবেশ করে। 

ব্যক্তিগত চ্যানেল তৈরি করুন

এখানে ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল বলতে আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারেন।  যেমন আপনি কোথাও ঘুরতে যাচ্ছেন সে হিসেবে আপনার ব্যক্তিগত এক্সপেরিয়েন্স এবং কোথায় কোথায় ঘুরতে যাচ্ছেন তা ভিডিও করে ট্রাফিকদের জন্য ইউটিউবে আপলোড করুন। এছাড়াও ব্যক্তিগত চ্যানেলের ক্ষেত্রে আপনার সেই চ্যানেলে নিজের নাম দিতে পারেন।

তবে অবশ্যই আপনার ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে অবশ্যই একটি জিমেইল তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ আপনার জিমেইলে আপনার নাম দিয়ে তৈরি করতে পারেন। কেননা আপনার জিমেইলে যে নাম দেওয়া থাকে সেই নাম দিয়েই ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়ে থাকে। তবে পরবর্তীতে চেঞ্জ করে নিতে পারেন।

ব্যবসা বা অন্য কোনও নাম দিয়ে চ্যানেল তৈরি করুন

যদি আপনি ইউটিউব থেকে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে প্রতিনিয়ত আপনাকে আপনার সেই ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিডিও আপলোড করতে হবে। তবে বিশ্বের অনেক মানুষ বিভিন্ন নাম দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করছে। এক্ষেত্রে আপনি ব্যবসার উদ্দেশ্যে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। সেক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে আপনার দোকান হতে পারে একটি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের।

অর্থাৎ আপনার দোকানের প্রতিটি ইলেকট্রনিক্স ভিডিও করে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করতে পারেন। যাতে দূর দূরান্তের অনেক মানুষ আপনার ইলেকট্রনিক পণ্য সম্পর্কে জানতে পারে। এবং  চাইলে তাদের কাছেও আপনার কোন বিক্রি করতে পারেন। অতএব আপনার ব্যবসাকে প্রসার করতে আপনার ব্যবসা কেন্দ্রিক ইউটিউব চ্যানেলের নাম দিন।

শেষ কথা

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা অনেকটা সহজ। আশা করতেছি ইতিমধ্যে আপনারা ইউটিউব চ্যানেল খোলার সকল প্রক্রিয়া জানতে পেরেছেন। সম্পূর্ণ সহজভাবে আপনাদেরকে বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে। আশা করতেছি ইতিমধ্যে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম জেনে নিয়ে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ফেলেছেন। এই পোস্ট আপনার কাছে উপকৃত মনে হলে অবশ্যই অন্যদের মাঝে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

Leave a Comment